কৃষি সংবাদ – dailyalokithbangladeshnewstv https://dailyalokithbangladeshnewstv.com অন্ধকার দূরীকরণে প্রতিদিন Thu, 07 Dec 2023 00:51:53 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.8.5 জেলা শহরে সবজির দাম কমলেও নবীগঞ্জে ঊর্ধ্বগতি https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/3702 https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/3702#respond Thu, 07 Dec 2023 00:45:00 +0000 https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/?p=3702 ফরজুন আক্তার মনি, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা একটি প্রভাবশালী ও ঐতিহ্যবাহী পৌর শহর ও গ্রামাঞ্চল।জেলা শহর অনুসন্ধান করে দেখা যায় শীতকালীন সবজির দাম প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা কমলেও নবীগঞ্জের পৌর শহর থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চলের ছোট বড় সব বাজার গুলোতে শীতকালীন সবজির দাম বাড়তি।এতে বিপাকে দিনমজুর সহ সাধারণ জনগণ।নিম্ন শ্রেণির মানুষ জানায়,শীতকালীন সবজির দেখলে ক্রয় করার জন্য অনেক লোভ হয়,কিন্তু অতিরিক্ত দামের জন্য ক্রয় করতে পারিনি।মাঝেমধ্যে ছোট বাচ্চারা শীতকালীন সবজি খেতে কান্নাকাটি করিলেও তাদের চাহিদা বাবা মা হয়ে পূরণ করতে পারি না।নবীগঞ্জের সবজির বাজারে নতুন আলু প্রতি কেজি ৭০/,লুবিউরি প্রতি কেজি ৬০/,ফুলকপি প্রতি কেজি ৬০/,সীম প্রতি কেজি ৬০/,শালগম প্রতি কেজি ৫০/সাতকরা ১৫০-২০০/ পিস, টমেটো প্রতি কেজি ৮০/, আঞ্চলিক নাম কচুর মুকি প্রতি কেজি ৮০/ সহ বিভিন্ন জাতের সবজি অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে যাচ্ছেন সবজি ব্যবসায়ীরা।

]]>
https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/3702/feed 0
প্রকৃতিপ্রেমীদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে ভাসমান গ্রাম দমদমা https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/2056 https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/2056#respond Thu, 03 Feb 2022 12:33:41 +0000 https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/?p=2056  

ষ্টাফ রিপোর্টার।

ইট বসানো আঁকাবাঁকা মেঠো পথের দুপাশ জুড়ে গাঢ় সবুজের মিছিল। গ্রামের বুক চিরে যাওয়া নির্জন একটি সড়ক গ্রামটিকে যুক্ত করছে তিন উপজেলার সঙ্গে। এখানে প্রকৃতি যেন তার সব রূপ উজাড় করে দিয়েছে। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে পাল্টে যায় রূপ-বৈচিত্র্য। গ্রামের পশ্চিমে রয়েছে পানির ওপর ভাসমান দুটি ভূখণ্ড। সবুজ গাছে ঘেরা ভূখণ্ড বা দ্বীপের চারদিকে পানি থই থই করে।

দুই দ্বীপে অন্তত ৩০টি পরিবার বসবাস করে। এখানেই রয়েছে ১০ শতাংশ জায়গার ওপর প্রায় শত বছরের পুরনো একটি আমগাছ। গ্রামের মানুষ কখনও কৃষক, কখনও জেলে আবার কখনও মাঝি। এমন একটি গ্রামের নাম দমদমা। যা কাপাসিয়া, শ্রীপুর ও কালীগঞ্জ তিন উপজেলার মোহনায় অবস্থিত।

যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে তিন উপজেলার সঙ্গেই গ্রামের মানুষের নিবিড় সম্পর্ক। তার মধ্যে কাপাসিয়া অন্যতম। কাপাসিয়া সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত এ গ্রামের চারদিকে পাখির কলতানি। কখনও কখনও সুনসান নীরবতা। পথ দিয়ে একা একা চললে দুরদুর করে উঠবে বুকের ভেতরটা।

গ্রামের মানুষের প্রধান পেশা কৃষি হলেও এখানকার বৃহৎ অংশই প্রবাসী। স্থানীয় একটি দাখিল মাদ্রাসা ছাড়া মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় শিক্ষাব্যবস্থার তেমন উন্নয়ন ঘটেনি। গ্রামের ভেতর দিয়ে আঁকাবাঁকা সড়কগুলোয় ইট বসানো। আবার কোথাও কোথাও কাঁচা সড়কও রয়েছে। হাটবাজার বা দোকানপাট দূরে হওয়ায় মানুষকে কষ্ট পোহাতে হয়।গ্রামের ভেতরে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হচ্ছে পানির মধ্যে ভাসমান দুটি দ্বীপ। যেখানে কয়েকটি পরিবার মিলেমিশে বসবাস করে। শুধু দুটি দ্বীপই নয় এখানে আরও অনেক দ্বীপ বর্ষার ভরা মৌসুমে টইটম্বুর পানিতে মাথা নাড়া দিয়ে জেগে উঠে। আকর্ষণীয় ভাসমান দ্বীপ দুটি মৃধা বাড়ি নামে পরিচিত। বর্ষার ভরা মৌসুমে চারপাশে থই থই পানিতে ডুবে যাওয়া টাইটানিকের মতো ভেসে থাকে ভাসমান এ ভূখণ্ডটি।কয়েক বছর আগেও বর্ষা মৌসুমে সেখানে যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম ছিল ছোট ডিঙি নৌকা। অর্ধ কিলোমিটার দূর থেকে ইশারার মাধ্যমে সঙ্কেত দিয়ে চলাচল করত মানুষ। মানুষের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে কয়েক বছর আগে ছোট একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করার সে চিত্র কিছুটা পাল্টে গেছে। তবে এখনও পাল্টেনি গ্রামের মানুষের কর্মব্যস্ত জীবন।বর্ষায় গ্রামের কৃষকরা হয়ে উঠে জেলে। সারা দিন চলে মাছ ধরার ধুম। সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে পাতা হয় মাছ ধরার জাল। জালে ধরা পড়া মাছ দেখতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে ডিঙি চালাতে পারে পরিবারের এমন যে কেউ। পানি থেকে তোলা হয় লাল-সাদা শাপলা ফুল। বাড়িতে রান্না করা হয় সে ফুল। মাঝে মাঝে বাজারেও বিক্রি করা হয়। পানি কমতে শুরু করলে ছোট-বড় ডোবা ও ক্ষেত থেকে সেচ দিয়ে মানুষ মাছ ধরতে শুরু করে। জমিতে ধান গাছ রোপণের উপযোগী করার জন্য পানিতে ভেসে আসা কচুরিপানা জমাট বেঁধে ওপরে তোলে গ্রামের কৃষকরা। ওই সময় মাছ খেতে হাজার হাজার সাদা বকের দল ভিড় জমায়।সন্ধ্যা হলে দ্বীপের বাঁশ ঝারে তারা বাসা বাঁধে। তখন গ্রামের ছোট ছেলেরা ছিমছাম রাতের অন্ধকারে বক শিকারে বাঁশ ঝাড়ে লাইট নিয়ে ঘুরে। এক দ্বীপে বকের ডানার ঝাপটানি, অন্যটিতে পাখির কিচিরমিচির কলতানিতে মনে হবে দুটি দ্বীপই যেন পাখিরা শাসন করছে। তবে তাদের মনে বড্ড ভয়। মানুষের আওয়াজ পেলেই ফুড়ুৎ করে উড়ে যায়।এখানেই রয়েছে বিশাল বড় আকারের একটি আম গাছ। গাছটির মালিক নূরউদ্দিন মৃধা। তার কাছ থেকে জানা যায়, প্রতিবছর এই গাছের আম একবারে পাইকারদের কাছে ২০-২৫ হাজার টাকা বিক্রি করা হয়। খুচরাভাবে নিজে বিক্রি করলে আনেক বেশি টাকা বিক্রি করা যাবে বলে তার দাবি। কত পথিক তার ক্লান্তির অবসান খোঁজেছে এ গাছের ছায়ায় তার হিসাব নেই। কঠোর পরিশ্রমের পর বা তীব্র রোদে এ গাছের নিচে বসে মানুষ প্রশান্তি খোঁজে। বসার জন্যও রয়েছে সুব্যবস্থা।বৈশাখে পুরো গ্রামজুড়ে লাগে ধান মড়াইয়ের উৎসব। পরিবারের সবাই মিলে সারা দিন রোদে পুড়ে বা বৃষ্টিতে ভিজে মাঠ থেকে গোলায় ধান তোলে। একজন কৃষক ২শ থেকে ৩শ মণ ধান পায়। গোলা ভরে যায় ধানে। কৃষকের সারা বছরের সব ক্লান্তি ভুলে মুখে ফুটে উঠে হাসি। গোলা থেকে অল্প অল্প করে ধান বিক্রি করে চলে সংসার ও সন্তানের পড়ালেখার খরচ। শীতে কৃষাণীরা ব্যস্ত থাকে বাড়ির পাশে সবজি চাষে। কৃষকরা ব্যস্ত হয়ে পড়ে খেজুর বা তাল গাছের রস সংগ্রহ করার কাজে।শিল্পীর নিজের হাতে আঁকা ছবির মতো গ্রাম যেন দমদমা। প্রকৃতি নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে এখানে। প্রকৃতিপ্রেমী যেকোনো ব্যক্তিকেই বারবার হাতছানি দিয়ে ডাকবে এ গ্রামের মনোমুগ্ধকর নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক পরিবেশ। গ্রামের মানুষের অতিথি পরায়ণতাও যেন কোনোভাবে ভুলার মতো নয়।

]]>
https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/2056/feed 0
হবিগঞ্জে ফসলি জমির উপর যন্ত্র দানবের ছোবল।মারাত্মক হুমকির মুখে কৃষি উৎপাদন https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/2049 https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/2049#respond Wed, 02 Feb 2022 07:11:51 +0000 https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/?p=2049  

ষ্টাফ রিপোর্টার।হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্হানে ফসলি জমির উপরি ভাগের উর্বর মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ইট ভাটার ইট,রাস্তা ঘাট সংস্কার, বসত ভিটা ভরাটের কাজে এ মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে একদিকে কৃষি জমিগুলোর উর্বরতা শক্তি দিন দিন কমে যাচ্ছে অপর দিকে ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে কৃষি পরিবেশের। ফলে জেলার কৃষি উৎপাদন মারাত্মক ভাবে কমে যাওয়ার আশংকা তৈরী হয়েছে। স্হানীয়রা জানান,প্রতিবছর শীতের শুরুতে আমন ধান কাটার পর থেকে বর্ষাকাল শুরু হওয়া পযর্ন্ত এক শ্রেণীর অসাধু মাটি ব্যবসায়ী গরীব কৃষক ও জমির মালিকদের টাকার লোভ দেখিয়ে আবাদি জমির মাটি কিনে নেয়।জমির মালিকরা টপসয়েল বিক্রির কুফল সম্পর্কে না জানার কারনে চিন্তা না করে নাম মাএ মূল্যে মাটি বিক্রি করে দেয়।প্রতিবছর ইট ভাটার মৌসুম শুরু, রাস্তা ঘাট সংস্কার ও বসত ভিটা ভরাট কাজ শুরু হওয়ার পূর্বে স্হায়ীয় প্রভাবশালী চক্র মাটি ব্যবসায়ীদের সাথে দালাল ঠিক করে জমির মালিকদের বিভিন্ন ভাবে চাপ প্রয়োগ করে মাটি বিক্রি করতে বাধ্য করে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিজ্ঞদের মতে,জমির ফসল উৎপাদনের উপযোগী মাটি হলো জমির উপরিই ভাগের অংশ আর টপসয়েল কেটে নিলে তার উর্বরাশক্তি ফিরে পেতে সময় লাগে ১৫-২০ বছর।সরেজমিনে দেখা গেছে নবীগঞ্জ উপজেলার আবাদ যোগ্য জমিগুলো থেকে অ্যাক্সকাভেটর দিয়ে মাটি কেটে প্রতিদিন প্রায় শত শত ট্রাক,ট্রাক্টর ভর্তি করে উপজেলার বিভিন্ন স্হানে নেয়া হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন স্হানে শতাধিক ইটভাটা থাকায় ও বসত বাড়ী ভরাটেও এখানে মাটির চাহিদা বেশি। অনেক দালান ইটভাটার মালিকদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকায় মাটির ব্যবসা করে।স্হানের দূরত্ব অনুযায়ী পরিবহন খরচের উপর মাটির দরদাম হয়ে থাকে।কয়েকজন জমির মালিক জানান,তাদের জমির পাশের অনেকে জমির মাটি বিক্রি করে দিয়েছে। এতে মাটি ব্যবসায়ীরা জমিগুলো থেকে ১০-১৫ ফুট এবং ২০-২৫ ফুট পযর্ন্ত গভীর করে মাটি কাটার ফলে তাদের জমিগুলোতে কোন রকমের চাষাবাদ করা যাচ্ছে না।ফলে বাধ্য হয়ে জমির মাটি বিক্রি করে দিতে হয়।অভিজ্ঞদের মতে,এভাবে প্রতিবছর ফসলি জমির মাটি কেটে নেওয়ার ফলে এ অঞ্চলে এক সময় খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা হারাতে পারে ও মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে এখানকার গ্রামীন অর্থনীতি ও অসহায় খেটে খাওয়া মানুষগুলোর উপর।এ ব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তা বলেন,ফসলি জমি থেকে উপরের মাটি কেটে নেওয়ার ফলে আবাদি জমিগুলোর উর্বরতা দিন দিন কমে যাচ্ছে। ফসল উৎপাদনের জন্য মাটির যে গুণ থাকা দরকার তার সবটুকুই থাকে জমির উপরি ভাগের অংশে।একবার ওই মাটি কেটে নিলে তা পূরণ হতে সময় লাগে অনেক বছর।

]]>
https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/2049/feed 0
বাগমারার ভবানীগঞ্জ পৌরসভাতে করোনা সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যক্রম চালাচ্ছেন মেয়র মালেক মন্ডল। https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/557 https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/557#respond Tue, 22 Jun 2021 05:44:39 +0000 https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/?p=557

মোঃ সারোয়ার হোসেন, বাগামারা:

কোভিড-১৯ মহামারী পরিস্থিতিতে মাঠে নিরলস ভাবে সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন ভবানীগঞ্জ পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মালেক মন্ডল।

তারই ধারাবাহিকতায় মেয়র মালেক মন্ডল গত (১৮ জুন) জুম্মার নামাজের পূর্বে এবং বিভিন্ন ওয়াক্তিয়া নামাজের পূর্বে এলাকার বিভিন্ন মসজিদে গিয়ে করোনা সম্পর্কে সচেতনামূলক আলোচনা করেন ও মুসল্লিদের মাঝে মাস্ক বিতরন করেন। এছাড়া মেয়র মালেক পৌরসভার রাস্তাঘাটের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলামান রাখতে গতকাল সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পৌরসভার ১,২,৩,৪ এবং ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড পরিদর্শন করেছেন। ওই সব ওয়ার্ডে টেন্ডারের রাস্তা ও এডিপির মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলামান রয়েছে বলে জানান পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী লিটন মিয়া।

তিনি আরো জানান, এখন বর্ষা মৌসুম তাই কাজের মান যাতে নিম্ন না হয় মেয়র স্যার তা দেখার জন্য অক্লান্তে পরিশ্রম করে কাজগুলো পরিদর্শন করে চলেছেন। এসব পরিদর্শনে তিনি আমাদেরও সাথে নিয়ে যাচ্ছেন । কাজ পরিদর্শন শেষে ওই সব স্থানে করোনা সচেতনা মূলক আলোচনা হচ্ছে যাদের মাস্ক দিয়ে সেই সব লোকদের মাঝে মাস্ক বিতরন করা হচ্ছে। গতকাল মেয়র রামকৃষ্ণপুর মহল্লার রাস্তার কাজ ও মন্দিরের কাজ পরিদর্শন করেছেন। পরে এসব পরিদর্শন শেষে মেয়র মালেক সোমবার দুপুরে পৌরভবনে কাউন্সিলর সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজনের সাথে মতবিমিনয় করেন।

এ সময় পৌরভবনে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর আহাদ আলী, সেলিম হোসেন, আচেন আলী, অধ্যাপক শাহিনুর ইসলাম, ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন, পৌর আ’লীগের সাবেক সহসভাপতি মোজাম্মেল হক, ব্যবসায়ী সেলিম রেজা সহ ভবানীগঞ্জ বাজারের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ । এ সময় মেয়র মালেক উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের উদ্দেশ্যে বলেন, করোনা নিয়ে কেউ আতংকিত হবেন না। সবাই স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলবেন। সেই সাথে মাস্ক , হ্যান্ড স্যানিটাইজার , সাবান ব্যবহার করবেন। আমরা পৌর কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষনিক আপনাদের পাশে রয়েছি। সেই সাথে বাগমারা মেডিকেলে চিকিৎসার ব্যবস্থাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সর্বশেষ মেয়র মালেক করোনা সংকটের কারণে অভাবগ্রস্থ ও কাজকাম হারানো অসহায় লোকজনের সহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান।

]]>
https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/557/feed 0
জুড়ীতে প্রথম নারী ইউএনও সোনিয়া সুলতানা এর দায়িত্ব গ্রহণ https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/555 https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/555#respond Tue, 22 Jun 2021 05:42:08 +0000 https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/?p=555

মোঃ জাকির হোসেন (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় প্রথম নারী ইউএনও’র দায়িত্ব নিলেন সোনিয়া সুলতানা। সোমবার (২১জুন) বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল- ইমরান রুহুল ইসলাম নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোনিয়া সুলতানার নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

সোনিয়া সুলতানা‌ জুড়ীতে যোগদানের পূর্বে সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ৩১তম বিসিএস ক্যাডার হিসেবে চাকুরীতে যোগদান করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং এক মেয়ে সন্তানের জননী।

দায়িত্ব গ্রহনকালে তিনি জুড়ী উপজেলার সকল জনপ্রতিনিধি, সাধারণ জনগণ ও সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। উল্লেখ্য, বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল- ইমরান রুহুল ইসলাম সুনামগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়িত হওয়ায় তিনি আজ নতুন ইউএনও’র নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

]]>
https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/555/feed 0
শেরপুরে নব-যোগদানকৃত জেলা প্রশাসককে সংবর্ধনা জানালেন বিদায়ী জেলা প্রশাসক https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/552 https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/552#respond Tue, 22 Jun 2021 05:38:18 +0000 https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/?p=552

এস.এম.আরফান আলী,স্টাফ রিপোর্টার:
শেরপুরে বিদায়ী জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব এর পক্ষ থেকে জেলায় নব-যোগদানকৃত জেলা প্রশাসক মোমিনুর রশিদকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। ২১শে জুন (সোমবার) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ রজনীগন্ধায় এ সংবর্ধনার আয়োজন করেন জেলা প্রশাসন।
এসময় আনার কলি মাহবুব নব-যোগদানকৃত জেলা প্রশাসকের সাফল্য কামনা করে বক্তব্য রাখেন।

বিদায়ী জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব এর সভাপতিত্বে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক উপ-সচিব এটি এম জিয়াউল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তোফায়েল আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মুক্তাদিরুল আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব ফরিদা ইয়াসমিন, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফিরোজ আল-মামুন, ঝিনাইগাতী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আল-মাসুদ, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর এনডিসি মোঃ মিজানুর রহমানসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

]]>
https://dailyalokithbangladeshnewstv.com/archives/552/feed 0