মোঃ শাহীন সরকার, রংপুর থেকে। – ঃ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ নিউজ পোর্টালের সম্পাদক ও প্রকাশক,জাতীয় দৈনিক গণমুক্তির নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি, নবীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সদস্য,ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ফরজুন আক্তার মনি কে নির্যাতন ও হেনস্তার মামলা আমল গ্রহণ করার পরও ধামাচাপা দিতে আদালত পর্যন্ত বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বিভিন্ন অপরাধের চার্জশীটভুক্ত আসামি কথিত কিছু সাংবাদিক ও তাদের লালিত মহল।
জানা যায়, গত ২০২০ সালে ৫ নং আউশকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুন করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কর্মমহীন অসহায় হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে বরাদ্দকৃত ত্রাণ বিতরণ করে যাচ্ছিলেন।সেই বরাদ্দকৃত কিছু সামগ্রী নবীগঞ্জের আজাদ মুজিব সহ কিছু সাংবাদিক চাঁদাবাজি করতে চাইলে চেয়ারম্যান অনাস্থা প্রকাশ করেন।সেই সুত্র কে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান এর মালিকানা প্রাইভেট হসপিটাল সাংবাদিকরা তাদের গ্রুপ নিয়ে ভাংচুর করা হলে গত ০৫/০৪/২০ ইং তারিখ হবিগঞ্জের কিছু সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহ করতে আসেন এবং
সম্পাদক ও প্রকাশক ফরজুন আক্তার মনিও যান।হসপিটালের বারান্দায় যাওয়া মাত্রই মধ্য যোগীয় কায়দায় সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত সহ শ্লীলতাহানি করে ক্যামেরা ও চেইন ছিনতাই করে নিয়ে যায় কথিত সাংবাদিক আজাদ ও মুজিব।ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে নবীগঞ্জ থানাপুলিশ উদ্ধার করে হসপিটাল যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেন।গত ০৬/০৪/২০ইং তারিখ সম্পাদক মনি বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন,যাহার নবীগঞ্জ নারী শিশু মামলা নং ১২/২০।আসামিরা স্থানীয় বিভিন্ন সেক্টরের প্রভাবশালী দের ছত্রছায়ায় থাকায়,নবীগঞ্জ থানাপুলিশ আসামি গ্রেফতার করতে পারেনি।পরে ১ জন আসামির নাম রেখে বাকী আসামি গুলোর নাম বাদ দিয়ে দ্রুত গতিতে আদালতে চার্জচীট দাখিল করেন।সম্পাদক মনি নারী শিশু নির্যাতন দমন আদালত-৩ নারাজি দিয়ে পুনরায় তদন্তের আবেদন করেন।আদালত আবেদন মঞ্জুর করে বাংলাদেশ পিবিআই হবিগঞ্জ কে তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করেন।পিবিআই দেড় বছর তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।মহামান্য আদালত পিবিআই এর তদন্ত প্রতিবেদন আমল গ্রহণ করে কথিত সাংবাদিক আজাদ মুজিব সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।আসামি আজাদ, মুজিব ও সাকির ১৪/০৩/২২ তারিখ জামিনের পিটিশন মহামান্য আদালতে দাখিল করে।আসামি সাকির আহমদ আদালত থেকে পালিয়ে আসে এবং নারী শিশু নির্যাতন দমন আদালত -৩ মুচলেকা মাধ্যমে কয়েকজনের জামিন মঞ্জুর করেন।
সম্পাদক মনি জানান আসামি আজাদ, মুজিব ও আলমগীর মুচলেকায় জামিনে এসেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন ভাবে আনন্দ উল্লাস মাধ্যমে রীতিমতো মানহানি করে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন ভাবে তাদের প্রভাবশালী মহল সহ মামলা তুলে আনার জন্য ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করছে এবং মামলা কে ধামাচাপা দিতে কাউন্টার মামলা দাবি করে আদালত পর্যন্ত মিথ্যা বানোয়াট সাজানো কিছু ডকুমেন্টস দাখিল করেছে।তিঁনি আরো জানান তারা আদালতে যতটা ভূয়া ডকুমেন্টস দাখিল করেছে তার প্রতিটির অর্জিনাল তথ্য সংগ্রহ করে রেখেছি।
বর্তমানে আমি ও আমার পরিবারের লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিতেছি এবং নারী নির্যাতন মামলার আসামিদের জামিনের পক্ষে হবিগঞ্জের কিছু সাংবাদিকরা এভিডেভিডে বলেছেন এমন ঘটনা ঘটেনি,হবিগঞ্জের সাংবাদিক দের ততকালীন সময়ের এই ঘটনার নিউজ হবিগঞ্জের পত্রিকার সংবাদ গুলো সংগ্রহ করে রেখেছি।হেন আচরণ আমার নিকট মনে হচ্ছে এ বিষয় বাংলাদেশের মারাত্মক একটি কলংকিত অধ্যায়।বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এড নুরুজ্জামান, এড মুনসুর আলী, এড শামসু মিয়া চৌধুরী ও নারী নির্যাতন মামলার আসামিদের জামিনের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট সুলতান মাহমুদ, নবীগঞ্জ উপজেলা আঃলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান কাজল সহ অনেক।গত ২০১৯ সালে নবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম ও কথিত সাংবাদিক নারী নির্যাতন সহ বিভিন্ন মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামি আজাদ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে কটুক্তি করিলে আমি বাংলাদেশের সন্তান হিসেবে প্রতিবাদ করেছিলাম।সেই অপরাধে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম সহ আজাদ তার গ্রুপ নিয়ে আমার মা বাবা কে কটুক্তি করে আমাকে অসম্মান করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি সহ আমার ফেইসবুক আইডি হ্যাক করে।সাইবার থেকে লোকেশন আনার পরও তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার সুযোগ পাইনি।নিরুপায় হয়ে ১৭//৯/১৯ ইং তারিখ হবিগঞ্জ আদালতে একটি মানহানীর মামলা দায়ের করি,যাহার সিআর মামলা নং ৪৪২/১৯।মামলা দায়ের করার পরের দিন রাতে আমাকে মেরে ফেলার বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে, যাহা আমার মোবাইল কল রেকর্ড তল্লাশি করিলে পাওয়া যাবে।তাদের আক্রমণের ভয়ে বিষয়টি থানায় অবগত করার জন্য আসিলে, তাদের অবৈধ ক্ষমতা ব্যবহার করে থানায় বসিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গত ২২/০৯/১৯ ইং কারাগারে যেতে হয়েছে।যাহার নবীগঞ্জ ডিজিটাল মামলা নং ১২/১৯।মামলার এজাহারে ঘটনার যে তারিখ দেওয়া হয়েছে,সেই তারিখে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের জন্মই হয়নি এবং এই আইনের জন্মের পর যে তারিখ দেওয়া হয়েছে এই তারিখ বঙ্গবন্ধু কে কটুক্তির প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম।এর পর থেকে দিনের পর দিন তাদের অত্যাচার বেড়েই চলেছে।দীর্ঘদিন ধরে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।তারা ও তাদের লোকের বিরুদ্ধে থানায় অসংখ্য জিডিও আছে।পরিপূর্ণ বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত ভাবে অবগত করে রেখেছি।মহলটি যে কোনো মুহূর্তে আমাকে খুন করিতে পারে।
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি