নিজস্ব প্রতিবেদক :হবিগঞ্জের ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ঐতিহাসিক মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। তথ্য অফিসার মোঃ ওয়ালিদুর রহমানের সঞ্চালনা ও স্বাগত বক্তব্য পাঠ করেন। হবিগঞ্জের তথ্য অফিসের উদ্যোগে এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ঐতিহাসিক মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমা খন্দকার, হবিগঞ্জ। তিনি প্রথমেই ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদদের স্মরণ করেন ও মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষভাবে ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক সংঘটিত ইতিহাসের ন্যাক্কারজনক গণহত্যায় যে সকল নিরস্ত্র-নিরীহ বাঙালী শহিদ হন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি শ্রদ্ধাচিত্তে স্মরণ করেন, হবিগঞ্জ জেলার ১৬ জন বীর শহিদের আত্মত্যাগের কথা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হবিগঞ্জের উপপরিচালক মুহাম্মদ মুনিরুজ্জামান। এছাড়াও জেলার কয়েকজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসার ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য ওলামায়ে কেরামগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধগণ ২৫ মার্চ গণহত্যা ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও উক্ত সময়ের স্মৃতিচারণ করে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। বক্তারা গণহত্যার বিষয়ে আলোচনার সময় চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এছাড়াও তারা ২৫ মার্চ নির্মম গণহত্যার সাথে বর্তমানে ফিলিস্তিনের গাজায় সংঘটিত গণহত্যার সাদৃশ্য স্বরূপ আলোচনা করেন।
জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক মো:আসাদুজ্জামান কাউছার উক্ত আলোচনা সভার সভাপতির বক্তব্য রাখেন। তিনি তার বক্তব্যে ২৫ মার্চ গণহত্যায় শহিদদের স্মরণের পাশাপাশি এই গণহত্যার খবর যেন বিশ্ব গণমাধ্যমে না আসতে পারে তার জন্য পাকিস্তান সরকার কর্তৃক বাধা দানের বিষয়টি তুলে ধরেন। সেই সাথে উক্ত গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির বিষয়ে জোরালো আলোকপাত করেন।
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি