1. admin@dailyalokithbangladeshnewstv.com : admin :
  2. alexfremanbest@yandex.ru : brunobaylebridge :
  3. patsymillington@hidebox.org : emiliosteffan51 :
  4. bellalaughlin@1secmail.org : gilbertomingay6 :
  5. themessellera@gmail.com : Sk Mizan : Sk Mizan
  6. test38373879@mailbox.imailfree.cc : test38373879 :
মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ০১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হবিগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২২ উদযাপন নবীগঞ্জে একাধিক মামলার সাজাপ্রাপ্ত দুই ভাই গ্রেফতার নবীগঞ্জ গোপলার বাজার তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শামসুদ্দিন জেলার শ্রোষ্ট কর্মকর্তা নির্বাচিত কেউ কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেট বিভাগে জাপার সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি অনুমোদন করলেন বেগম রওশন এরশাদ নবীগঞ্জে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে মসজিদ থেকে নবজাতক শিশু উদ্ধার হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বাইসাইকেলে শোভাযাত্রা ও প্রতীকী অনশন অনুষ্ঠিত হবিগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২২ এর “ক্যাম্প প্রশিক্ষণ” অনুষ্ঠিত”

রেলে চাকরি পেল ১০ মাসের শিশু!

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০২২
  • ১৬৬ বার পঠিত

নাজনীন নাবিলা,ঢাকা থেকে।। বয়স তার মাত্র ১০ মাস। এ সময় তো বাবা-মায়ের আদর খাওয়ার কথা তার। খেলা করার কথা। কিন্তু, এই বয়সেই নাকি চাকরি পেয়ে গেছে এই শিশুটি! ভারতীয় রেলের ইতিহাসে এ এক নজিরবিহীন ঘটনা বলেই মনে করা হচ্ছে। ১০ মাসের শিশুকন্যাকে চাকরি দেয়া হল।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় বাবা-মাকে হারিয়েছে ছত্তিশগড়ের ওই শিশু। বাবা রেলে কর্মরত ছিলেন। তাই তার মৃত্যুর পর বাবার চাকরি দেয়া হল ওই শিশুকে। ১৮ বছর বয়স হলে চাকরিতে যোগ দিতে পারবে শিশুটি। ইতোমধ্যেই রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে। শিশুটির আঙুলের ছাপও সে কারণে নেয়া হয়েছে।

জানা গিয়েছে, গত ১ জুন সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় শিশুটির বাবা-মায়ের। তবে প্রাণে বেঁচে যায় শিশুটি। তার বাবা রাজেন্দ্র কুমার ভিলাই রেলওয়ে ইয়ার্ডে কাজ করতেন।

গত ৪ জুলাই দক্ষিণ পূর্ব মধ্য রেলওয়ের অধিদফতরে (পার্সোনেল ডিপার্টমেন্টে) শিশুটিকে চাকরি দেয়া হয়েছে।

রেলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাচ্চাটির আঙুলের ছাপ নেয়ার কাজটা কঠিন ছিল আমাদের জন্য। যেদিন এই প্রক্রিয়াটা হয়, আত্মীয়-পরিজনরা শিশুটিকে দফতরে নিয়ে আসেন। বুড়ো আঙুলের ছাপ নেয়ার সময় খুদের সে কী কান্না! ওইদিনটা আমাদের কাছে সত্যিই খুব আবেগঘন একটি মুহূর্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর...
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

Theme Customized BY: Themes Seller