স্টাফ রিপোর্টার:- হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে রোহান কাজী নামক এক লোকের বিরুদ্ধে জন্মকর্ম উভয়ই বিকৃতের অভিযোগ ওঠেছে।এছাড়াও প্রবাসে পালিয়ে নিকৃষ্ট ভাবে তার উত্থান ঘটেছে।
জানা যায়, নবীগঞ্জ সদর ইউপি পশ্চিম তিমিরপুর গ্রামের গরুর ব্যবসায়ি কাজী শুকন মিয়ার ছেলে রোহান কাজী (৩০)বর্তমানে প্রবাসে বসবাস করছে।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায় প্রবাসে মাদকাসক্ত অবস্থায় দেশের গুণীদের অনবরত কটুক্তি করছে।সেই সূত্রে ভুক্তভোগীরা তার পরিবারে বিচার প্রার্থী হলেও, তার পরিবার তাকে সামাল দিতে পারেননি।অবশেষে গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বিদের নিকট বিচার প্রার্থী হলে তারাও ব্যর্থ হন।তার নিজ গ্রাম সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম ও পৌরসভার অনেক বিজ্ঞ মানুষেরা জানান,তার বাবার অনুপস্থিতিতে রোহান তার মায়ের গর্ভে ধারণ করে।অবশেষে ঘটনাটি নিজেদের মধ্যে ঘটায়,লোকলজ্জার ভয়ে সহজ সরল শুকন মিয়া মেনে নিতে বাধ্য হন।এছাড়াও অল্প বয়স থেকেই জঘন্যতম বখাটে হয়ে ওঠে।আপন মা তার নিকট নিরাপদের বিষয়ে সুশীল সমাজ সন্দিহান।অল্প বয়সে মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পরে।নবীগঞ্জ উপজেলা আওতাধীন একটি গ্রামে নারী কেলেংকারীতে লোকজনের পিটুনির আঘাতে সন্ত্রাসী রুপ ধারণ করে।তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে সিলেট বিভাগের কোনো পরিবারের মেয়ে কে বিয়ে করতে পারেনি।ততকালীন ছাত্ররা জানায়,নবীগঞ্জ কলেজে বহিরাগত হয়েও কলেজে প্রবেশ করে মেয়েদের কে ইভটিজিংয়ের দায়ে পিটুনির শিকার হয়।অবশেষে ছাত্রলীগ কে মেনেজ করে জোরপূর্বক কলেজে আড্ডার ছবি প্রমাণ হিসাবে ২৭ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সাংবাদিকদের প্রদান করা হয়।বিগত দিনে আওয়ামিলীগের একটি গ্রুপ ও সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগমের স্বামী বাসদ নেতা চৌধুরী ফয়সল শোয়েব তাকে ভাড়া করেন।তার ষড়যন্ত্রে নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ সাংবাদিক ফরজুন আক্তার মনি কে খুন করার উদ্দেশ্যে নবীগঞ্জ ফিজাতে আক্রমণ চালায়।অবশেষে এ গ্রুপের মোস্তাক হোসাইন সানি সহ কয়েক জন থানায় মুসলেকা দিয়ে দেশ থেকে পালিয়ে যায়।সাংবাদিক মনি জানান,২০১৬ সালে ৮নং নবীগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান জাবেদুল আলম চৌধুরী কতৃক সরকারি চাল ও হতদরিদ্রদের সঞ্চয়ের টাকা আত্মসাৎ এর ঘটনা ঘটে।এ দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কারণে সাংবাদিক মনি কে খুন করার চেষ্টা করেছিল রোহান।এ জঘন্য কর্মকান্ড ও অবৈধভাবে জমানো টাকায় বিদেশে পালিয়ে যায়।প্রবাসে আরো নিকৃষ্ট ভাবে তার উত্থান ঘটে।সে চলতি বছরের ৪ মার্চ থেকে সাংবাদিক ফরজুন আক্তার মনি’র আবারও পিছু নিয়েছে।গোপন সূত্রে জানা যায়,বিগত দিনের কুচক্রী মহল আবারও তাকে মনি’র পিছনে লেলিয়ে দিয়েছে।এছাড়াও সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়ার নির্বাচনী সাপোর্টার হিসাবে সাংবাদিক মনি কে কটাক্ষ করার স্বীকারোক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা করার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।সে মনি কে খুন ও গণধর্ষণ করার জন্য মানুষ কে নানা ভাবে উস্কে ও হুকুম প্রদান করে অপরাধী সাজিয়ে ভিডিও বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।এতে জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছে।সাংবাদিক মনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।এছাড়াও সাংবাদিক মনি সহ দেশের অসংখ্য গুণীদের কে নানা ভাবে বিকৃত মস্তিষ্কে,অশালীন, অভদ্র, অশ্রাব্য ভাষা,মানহানিকর আক্রমণাত্মক বুলিংয়ে মানহানি ও হেয় এবং সামাজিক ও মানসিক ক্ষতিগ্রস্ত সহ ব্ল্যাকমেইল করে যাচ্ছে।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল করে ভূয়া তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।নবীগঞ্জে সে বখাটে, মাদকাসক্ত,নারী কেলেংকারী,মব সন্ত্রাস ও বিকৃতভাবে জন্মানো হিসাবে পরিচিত।প্রবাসেও মাদকাসক্ত থাকায় পরিবারের লোকজন আজও ভালো একটি ঘরে বসবাস করতে পারেনি।সরজমিনে তার বাড়িতে গেলে দেখা যায়,বসবাসের ঘর একদম অকেজো,ঘরে বসার মতো কোনো পরিবেশ না থাকায় তার বাবা অন্যের ঘরে বসতে দেন।পরিবারের লোকজন ঘরে কাপড় টাঙিয়ে চলাফেরা করতেও দেখা যায়।
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি