উপসম্পাদকীয় : ব্যক্তিরা হলেন সমাজের সেই নীরব রূপকার, যারা নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও সহানুভূতির আলোয় চারপাশ আলোকিত করেন।তাঁদের উপস্থিতি পৃথিবীতে আশার সঞ্চার করে।আব্দুল হক তালুকদার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দিলু মিয়া তালুকদারের মতো মানবিক মানুষের মানবিক সৌন্দর্য ও সমাজে তার অপরিহার্য অবদান তুলে ধরা হলো।সুখ দুঃখ নিয়েই মানুষের জীবন।অনেক কষ্টের বিনিময়ে মানুষ সিড়ি বেয়ে উঠে।তার মধ্যে থাকে নিন্দুকের নিন্দা,পরচর্চা কারীর পরচর্চা,গীবতকারীর গীবত সহ নানা প্রতিকূলতা।যারা প্রকৃত মানবিক তারা চাঁদা তুলে অর্ধেক পকেটে রেখে দানশীলতার অভিনয় করেন না।তারা নিজ কষ্টের টাকা বিলিয়ে দেন।মোহাম্মদ দিলু মিয়া তালুকদারের মধ্যে সেই গুণ খোঁজে পাওয়া যায়।তিনি বছরে দুটি ঈদে সামর্থ্য অনুযায়ী তার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে গরীব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মুখে হাসি ফোটাতে চেষ্টা করেন।শুধু তাই নয়,স্বাস্থ্যসেবায়ও মানুষের পাশে দাঁড়ান।দেশে নানা সংকট দেখা দিলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে প্রণোদনা নিয়ে দাঁড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা।নানা উৎসব সামাজিকতা রক্ষায় রাখেন অবদান।মানবিক মানুষের স্বরূপ মানবতা কোনো পোশাক নয়,এটি অন্তরের এক গভীর উপলব্ধি।যাঁরা মানবিক,তাঁরা অন্যকে কেবল মানুষ হিসেবেই দেখেন না,বরং তাঁদের সুখ-দুঃখকে নিজের করে নেন।সহানুভূতি ও সমবেদনা: মানবিক ব্যক্তিরা অন্যের চোখের ভাষা পড়তে পারেন।অন্যের কষ্টে সমব্যাথী হওয়া এবং তাদের দুঃসময়ে সান্ত্বনার হাত বাড়িয়ে দেওয়া তাঁদের স্বভাব।
নিঃস্বার্থ মানসিকতা: কোনো প্রতিদান পাওয়ার আশা ছাড়াই তাঁরা মানুষের কল্যাণে কাজ করেন।তাঁদের কাছে অন্যের মুখে হাসি ফোটানোই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
উদারতা ও ক্ষমাশীলতা: ছোটখাটো ভুল বা ত্রুটির ঊর্ধ্বে উঠে তাঁরা মানুষকে ক্ষমা করতে পারেন।তাঁদের হৃদয় হয় আকাশের মতো বিশাল।সমাজ বিনির্মাণে মানবিক মানুষের ভূমিকা একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য সমাজ গঠনে মানবিক গুণসম্পন্ন মানুষের বিকল্প নেই।
সম্প্রীতির বন্ধন: তাঁরা সমাজ থেকে হিংসা, বিদ্বেষ ও হানাহানি দূর করে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি করেন।সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে সমান সৌহার্দ্য।
আশার প্রদীপ: হতাশায় নিমজ্জিত কোনো মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁরা নতুন করে বাঁচার প্রেরণা জোগান।ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা: মানবিক মানুষেরাই সমাজে সুবিচার ও সমতা প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন।যান্ত্রিক ও স্বার্থপর এই পৃথিবীতে মানবিক ব্যক্তিরা এক অমূল্য সম্পদ।এসব গুণ মোহাম্মদ দিলু মিয়া তালুকদারের মধ্যে উপলব্ধি করা যায়।তার পরিচালনায় দীর্ঘদিন যাবৎ আব্দুল হক তালুকদার ফাউন্ডেশন নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।আসুন, আমরা নিজেরা মানবিক গুণাবলি ধারণ করি এবং এমন মানুষের কদর করতে শিখি। তবেই একটি সুন্দর, শান্তিময় ও মানবিক পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব।
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি