ফরজুন আক্তার মনি :-নবীগঞ্জের গোপলা বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক নি’পী’ড়নের ঘটনা টক অব দ্যা টাউন।এখন দেখছি কিছু স্বা’র্থনেশী ঘটনার আসল তথ্য গু’ম করার অ’পচেষ্টায় ব্যস্ত।সা’প তার পরিচয় সা’প।এখানে আবেগের মূল্য নেই। সুযোগ সন্ধানে চু’বলে আ’ক্রান্ত হবেন।আজাদ তার যুবক বয়স থেকে মানুষ কে নি’র্যাতন নি’পী’ড়নে ও হ’য়রা’নির মাধ্যমে পি’ষ্ট করেছে,আজ পর্যন্ত সে ভালো হওয়ার চে’ষ্টা করেনি।তাকে একটা গ্রু’প দুধকলা দিয়ে লালন করছেন।
আসল ঘটনা হলো- এম এ আহমেদ আজাদ প্রথম যে ভিডিও ফুটেজ তৈরি করছে সেটাতে আমরা দেখেছি যে,প্রাইভেট না পড়ার কারণে ছাত্রী কে অ’মা’নবিক নি’ষ্ঠুর’তম আ’ঘাত করেছেন শিক্ষক!ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জনতা ফুঁ’সে ওঠেছিল।সালিশ বৈঠকে না বসলে নিশ্চয় খু’ন করে ফেলতেন।এ ভিডিওয়ের কারণেই ম’ধ্যযু’গীয় কা’য়দায় বিচার করে হে’নস্তা করা হয়েছে।এর সম্পূর্ণ দা’য় আজাদ এড়াতে পারবে না।সত্য স্বীকার করা উচিত।এ ভিডিও সু’কৌ’শলে ডি’লিট করেছে কেন?এতদিন বিএনপির অনেক লোক বলেছেন আজাদের মতো ক্রি’মিনাল কে আগে আ’শ্রয় প্র’শ্রয় দিয়েছেন আওয়ামিলীগ আর এখন জামাত।জামাত নেতা অ’পরা’ধীর বিচার চেয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।অন্য দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে বিএনপির কিছু লোক আবেগে আজাদের জন্য কা’ন্নাকা’টি করেছেন।এখন বলেন নি’র্যা’তিত নি’পী’ড়িত জনতা কার উপর ভরসা করবেন?সাধারণ জনগণ ভাত বা কাপড়ের জন্য কারো দরজায় থালা পাতেন না।শুধু ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেন।আওয়ামী আমলে আজাদ বা’হিনী যখন জনসম্মুখে সিনেমা কে হার মানিয়ে একজন নারী কে হে’নস্তা করেছিল তখন আওয়ামী নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম জ’নসম্মুখে এমপি সাহেব কে বলেছিলেন বাদীকে গ্রে’ফতার করে মামলা আ’পোষ করা হোক। আজ জামাত নেতা তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে অ’প’রাধীর গ্রে’ফতার দাবি জানিয়ে জনতার নিকট মহান হয়েছেন। অন্য দিকে বিএনপির কিছু লোক জামাত কে ট্র’ল করে আজাদ কে বাঁ’চাতে মরিয়া।এতে প্রমাণ হয় আজাদ কে বিএনপির ছ’ত্রছায়ায় রেখে আওয়ামিলীগ কে হা’র মানিয়েছেন।
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি