গত পরশু যাদের অপকর্ম ঢাকতে নানা ষড়যন্ত্রে নির্যাতন নিপীড়নে পিষ্ট করেছিলেন দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ নিউজটিভির সম্পাদক, ডেইলি মর্নিং গ্লোরীর জেলা প্রতিনিধি ও নবীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরজুন আক্তার মনি কে তা সংক্ষিপ্ত আকারে ফেইসবুক পোস্টে জানিয়েছেন। পাঠকদের মাঝে হুবহু তা তুলে ধরা হলো-
আদালতের ন্যায় বিচারে কু’চক্র ও মিথ্যার প’তন
আমাকে নি’র্যা’তন নি’পী’ড়নে পি’ষ্টের মূল কারণ তুলে ধরা হলো-
১/ সাবেক নবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সেলিনা পারভীনের সঙ্গে চাকরির সুবাদে ভালো সম্পর্ক থাকায় এক সঙ্গে বসবাস করতাম।সরকারি চাল আ’ত্মসাৎ এর দায়ে সাবেক নবীগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান জাবেদুল আলম চৌধুরী সাজুর বি’রুদ্ধে নাজমা বেগম কে নিয়ে আমাকে যু’দ্ধে নামিয়ে দেন।অনেক ক’ষ্টের বিনিময়ে চেয়ারম্যান কে প’রা’জিত করি।সেলিনা পারভীনের বাসায় মহিলা মেম্বার মায়া আপা একজন গৃহকর্মী দিয়েছিলেন।ব’দলি হয়ে সিরাজগঞ্জ যাওয়ার সময় তাকে পানিউম্দা বাজার নামিয়ে দেওয়ার কথা বলে সিরাজগঞ্জ নিয়ে যান।সেই নারীকে উা’দ্ধার করা যাচ্ছিল না।তখন আমার নিকট কা’ন্নাকা’টি করা হয়। সেই মহিলা কে জীবনের ঝুঁ’কি নিয়ে কর্মকর্তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছি’ন্ন করে উ’দ্ধার করি।সেখানে গিয়ে জানলাম কাজের মহিলা কে তার স্বামী তিন মাসের গ’র্ভবতী করেছিল এবং সেখানে নিয়ে চিকিৎসার মাধ্যমে গ’র্ভপাত ঘ’টান।অবশেষে ঐ মহিলার পরিবার কে টাকাকড়ি দিয়ে মেনেজ করেন।ঐ ক্ষো’ভ মেটাতে আমার পিছু নেন।
২/ সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম কে আমার ইউপির মহিলা হিসাবে নানা ভাবে কতটা সহযোগিতা করেছিলাম হাজারো মানুষের জানা।তিনি অ’বৈধভাবে সরকারি দুটো প্রতিষ্ঠানে চাকরি সহ একটি সে’নসেটিভ বিষয়ে বাঁ’ধা প্রদান করিলে গৃহকর্মী অপহরণ কারী সেলিনার সঙ্গী হয়ে আমার বি’রুদ্ধে ষ’ড়য’ন্ত্রে লি’প্ত হয়ে আওয়ামী নেতা এম এ আহমেদ আজাদ মুজিব কে কু’চক্রে সঙ্গী করে লে’লিয়ে দেন।
৩/ সাংবাদিক এম এ আহমেদ আজাদের স্ত্রী জা’ল জা’লিয়াতির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করে যাচ্ছিলেন।সেখানে দু’র্নীতির বি’রুদ্ধে লড়াই চালিয়েছি। এছাড়াও সে আওয়ামী নেতা হলেও জাতির মহান নেতা বঙ্গবন্ধু কে কটুক্তি করত।সে কারণেই হয়তো আজ বিএনপির ছ’ত্রছা’য়ায় ঠাঁ’ই দিয়েছেন।
সকল ভ’য়ংকর অ’প’রাধী মিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে অ’শা’লীন ভাষায় গা’লাগা’লি ও খু’ন করার চে’ষ্টা চালায়।আমি নি’রুপায় হয়ে মাননীয় আদালতে একটি মা’নহা’নীর মা’মলা দায়ের করিলে গভীর রাতে আমার বাসায় হা’নার চে’ষ্টা চালালে সুকৌশলে অন্য উপজেলায় চলে যাই।২/৩ দিনপর এ বিষয়ে থানায় বিচার দিতে আসিলে ঐ দিনই উল্টো আমাকে ব’ন্দী করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কা’রাগা’রে পাঠানো হয়।কারাগার থেকে বের হওয়ার পর চাঁ’দাবা’জির ঘ’টনা কে কেন্দ্র করে অরবিট ডায়াগনস্টিক সেন্টার ভা’ঙচু’রের সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে ঐ চ’ক্র আমাকে জনসম্মুখে নি’র্যা’তন চালায়,যা সিনেমা কে হা’র মানিয়েছিল।সেই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ব বাসী দেখেছেন।দায় এড়াতে না পেরে নবীগঞ্জ থানা নারী ও শিশু নি’র্যা’তন দ’মন আইনে মামলা রেকর্ড করেন।কিন্তু সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম ও ক্ষমতাসীন দলের অনেক নেতা সুন্দরী রমনীদের মন র’ক্ষা করতে ও দলের কর্মী আজাদ মুজিব ও তাদের সঙ্গী দের সেভ করার লক্ষ্যে প্রশাসন কে চা’পের মুখে রেখে আসামি গ্রে’ফতার করাতে দেননি।এফআইআর ভুক্ত আ’সামি জনসম্মুখে প্রশাসনের সামনে দা’পটে চলাফেরা করেছিল।যেন নিরবে নিভৃতে কেঁ’দে ভেসে যাচ্ছিল বিচারের বানী।ভাবতাম ঐ সব প্র’ভাবশালী দের পরিবারে মা বোন নেই তাই তারা নারীর ই’জ্জত ঝালমুড়ি মনে করেন।নি’র্যা’তিতার প্রতি তাদের কোনো অ’নুশোচনা নেই।সেলিম চৌধুরী জনসম্মুখে এমপি সাহেব কে হু’কুম দিয়েছিলেন মনি কে গ্রে’ফতার করে মা’মলা আ’পোষ করা হোক।গ্রে’ফতারে অ’সম্মতি প্রকাশে এক চেয়ারম্যান কে পি’ষ্ট করা হয়েছিল।
এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে আমার বি’রুদ্ধে একাধিক বার রেজুলেশন পাশ করেছেন এবং বারবার গ্রে’ফতারের দাবি করতেন।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একই ঘটনা দিয়ে একাধিক মামলাও আমার বি’রুদ্ধে পাস করে আনা হয়।ক্ষমতা যখন আমাকে পি’ষ্ট করে নিঃশ্বাস ব’ন্ধ করে দেয় তখন সরকার সহ দেশের সর্বোচ্চ জায়গায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশকৃত মামলা অফ হলেও বিচারের বানী লোকাল এলাকায় আসামাত্রই নেতাদের হ’জমে বিচার কে সাগরে ডু’বিয়ে হ’ত্যা করা হতো।(গোপন সূত্রে জানা)না থামার ক্ষো’ভে এক মন্ত্রী হাইকোর্ট জামিন বা’তিল করে আমাকে ব’ন্দী রেখে আইনজীবী ছাড়া ৯ বছর ৮ মাসের জন্য বন্দী রাখার রায় করান।আল্লাহর মেহেরবানীতে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে মহামান্য হাইকোর্টে ন্যায় বিচার পাওয়ার সুযোগ পাই।আল্লাহ আমাকে উ’দ্ধার করেন।আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা আমার সাক্ষাৎকার নিলেন।আমি শত শত ডকুমেন্টস দাখিল করে নি’র্দোষ প্রমাণ করি।আন্তর্জাতিক সংস্থায় ন্যায় বিচার পেতে দাবি জানালাম।আমার মতো হয়তো শত শত ভু’ক্তভোগী বিচার চেয়েছেন।তাই ডিজিটাল নি’রাপত্তা আইনের যে সব নি’পী’ড়িত ধারায় নিরপরাধ মানুষ কে হ’য়রানি হতো সেই ধারা বা’তিল হওয়ার জন্য বিগত সরকার কে সংস্থাগুলো দাবি জানান।বিগত সরকার বা’তিল করলেও গেজেট প্রকাশ হওয়ার আগেই প’তন হওয়ায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গেজেট প্রকাশ করেন।গত ২০১৯ সালে ভূ’য়া তথ্যে ক্ষ’মতার দা’পটে ভি’ত্তিহীন চা’র্জশীট দাখিল করা হয়।ঢাকার চিনি চাকা চাকা মনে করে আবারও ২০২২ সালে আরেকটি মামলার চা’র্জশীট করানো হয়।সেই মামলার পিছনে আড়ালে চোখ রেখেছেন আন্তর্জাতিক সংস্থা।২০২৪ সালে এনএসআইর একজন কর্মকর্তা বললেন ভি’ত্তিহীন চা’র্জশীট দাখিল করায় মাননীয় আদালত থেকে তদন্ত কর্মকর্তার নামে তদন্তের নির্দেশ এসেছে।সেখানে আপনারও বক্তব্য লাগবে।মাননীয় আদালতের বি’চক্ষণতার কারণে এ ভিত্তিহীন ভূ’য়া মা’মলা আমলে নেননি। তাই আজাদ বাহিনী চা’র্জ গঠন করাতে ব্য’র্থ।কু’চক্রী মহলের মি’থ্যা বা’নোয়াট সকল মামলা থেকে কারো দয়া ছাড়া মহামান্য আদালতের ন্যায় বিচারে মহান আল্লাহ আমাকে মুক্ত করে দিয়েছেন।ততকালীন সময় লোক মেনেজ করে কা’রাগারেও আমাকে বারবার খু’ন করার চে’ষ্টা চালিয়েছিলো!!! সংবাদপত্র সত্য কে গু’মের মাধ্যমে হ’ত্যা করেছে।আইনের প্রতি সবসময়ই শ্রদ্ধাশীল থেকেছি।সিলেট বিভাগের কেউ আমার পাশে দাঁড়াননি।যারা ছিলেন চিরকৃতজ্ঞ।চাকুরি বাঁ’চাতে বারবার কা’রাব’ন্দী রেখেও তাদের অ’বৈধ চাকরি টিকিয়ে রাখতে পারেননি।এটা ইতিহাসের একটি নি’র্লজ্জ ভ’য়া’বহ কা’লো অধ্যায়।
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি