স্টাফ রিপোর্টার: হবিগঞ্জে শাকিল আহমেদ নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে নিজেকে ৪৪তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডার পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক মর্যাদা অর্জন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে তিনি নিজেকে ম্যাজিস্ট্রেট দাবি করে বিভিন্ন দপ্তরে প্রভাব খাটিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্রান্ত একাধিক অনুসন্ধানভিত্তিক পোস্ট ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। সেখানে দাবি করা হয়, শাকিল আহমেদ প্রকৃতপক্ষে ৪৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারিতেও উত্তীর্ণ হননি। বরং তিনি অন্য একজন পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর ব্যবহার করে ভুয়া এডমিট কার্ড তৈরি করে বিভিন্ন স্থানে প্রশাসন ক্যাডার পরিচয়ে পরিচিত হন।
ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে যোগাযোগ করা হলে প্রশাসন ক্যাডারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, “শাকিল নামে কেউ আমাদের অফিসিয়াল গ্রুপে নেই। কেউ তাকে ব্যক্তিগতভাবেও চেনেন না। এমনকি সুপারিশপ্রাপ্ত চূড়ান্ত তালিকাতেও তার নাম নেই।”
এ বিষয়ে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও শাকিল আহমেদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিষয়টি জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (NSI), দুদক, পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন দপ্তরসহ বিভিন্ন মহলকে অবগত করা হয়েছে। শাকিল আহমেদের বর্তমান কর্মস্থলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অবহিত রয়েছেন বলে সূত্র জানায়।
সচেতন মহল বলছে, বিসিএসের মতো মর্যাদাপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করে প্রতারণা দুঃখজনক এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি রাখে। এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি