1. admin@dailyalokithbangladeshnewstv.com : admin :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদে সুবাতাস: জনসেবায় এগিয়ে এসে আলোচনায় বিশিষ্ট শিল্পপতি আশরাফ উদ্দিন নবীগঞ্জে দিনারপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নবীগঞ্জ উপজেলা সিএ মোহনের অনিয়মের পাহাড়, ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা নবীগঞ্জের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, আপোসের গুঞ্জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় নবীগঞ্জের সাংবাদিক মনি’র গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য আলসেমি, এম হাবীবুল্লাহ নবীগঞ্জে বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ: রক্তাক্ত হলেও করা হয়নি চিকিৎসা, ধামাচাপা দিতে মরিয়া প্রভাবশালীরা হলুদ সাংবাদিকতার কবলে জনজীবন, ফরজুন আক্তার মনি নীরবে সমাজ বদলের স্বপ্ন বুনছেন সিমি কিবরিয়া অনিয়ম ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে মেয়েকে বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ করে দিলেন প্রধান শিক্ষক ফারুক মাস্টার

ভূঁইফোড় দের ছড়াছড়ি নকল বাজি করে নিজেকে জাহিরের চেষ্টা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইমঃ বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১
  • ১০১০ বার পঠিত

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার সাংবাদিক ফরজুন আক্তার মনি তার ফেইসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে জানিয়েছেন বিভিন্ন সেক্টরের ভূঁইফোড়’রা চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ার কারণে আসল প্রতিভাবান ও গুণীজনদের মান ক্ষুন্ন হওয়ার প্রচেষ্টা হচ্ছে।স্থানীয় প্রশাসনের এদিকে নজর নেই। তিঁনির ফেইসবুক আইডির লেখা হুবহু তুলে ধরা হয়েছে –

অনুসন্ধান করে দেখা যায় ভূইফোড় দের ছড়াছড়ি সর্বত্র ছড়িয়ে মারাত্মক আকার ধারণ করে আসল প্রতিভাবান ও গুরুজনদের অমর্যাদা করে বেড়াচ্ছে।শুধু তাই নয়,নিজেদেরকে ইয়া বড় ভূইফোড় পদ পদবী দিয়ে এলাকায় বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়েছে।কেউ শখে ২/১ দিন বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে কলেজে বা স্কুলে আসা যাওয়া করেই লেখেন প্রফেসর বা অধ্যাপক,ডাক্তার না হয়েও লেখেন ডাক্তার,কেউ মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও মুক্তিযোদ্ধা,আর আসল যোদ্ধা রাস্তায় কেটে খান।কেউ রাজনৈতিক নেতার পিছনে পিছনে ঘুরে সেলফি তুলে ফেইসবুকে পোস্ট করে নেতা দাবি করে আবার কেউ বড় বড় অফিসারের সাথে ছবি তুলে কাছের মানুষ বা বন্ধুবান্ধব দাবি করে হুংকার দেয়।কেউ সারাক্ষণ ফেইসবুক তল্লাশি করে অন্য জনের লেখা নকল করে ফেইসবুকে নিজেকে জাহির করতে মরিয়া,কেউ ডক্টরেট ডিগ্রি না করে লেখেন ডক্টর,কেউ ইঞ্জিনিয়ার না হয়ে লিখেন ইঞ্জিনিয়ার,কেউ তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হয়ে লোক সমাজে প্রফেসর পরিচিত,কেউ টাকা দিয়ে সংবাদ পত্র থেকে কার্ড সংগ্রহ করে বলে বেড়ায় সাংবাদিক,কেউ সংবাদ কর্মী হয়ে দাবি করে ইয়া বড় সাংবাদিক,কেউ পত্রিকার প্রতিনিধি হয়ে দাবি করে ইয়া বড় জাতীয় পুরুষ্কার প্রাপ্ত সাংবাদিক,কেউ বিভিন্ন ভূঁইফোড় সংগঠন থেকে একুশে পদক,মুক্তি যুদ্ধের চেতনার মতো বড় বড় নামে ভূঁইফোড় সম্মাননা স্মারক,সার্টিফিকেট কালেকশন করে ফেইসবুকে জাতীয় পুরুষ্কার প্রাপ্ত সাংবাদিক দাবি নিয়ে মরিয়া,কেউ বাংলাদেশের বিশিষ্ট কলামিস্ট,লেখক,গুণীজন,সাহিত্যিক,কবি তাদের লেখা নকল করে নিজেকে বিশিষ্ট কলামিস্ট,লেখক,কবি,সাহিত্যিক,গবেষক দাবি করে ফেইসবুকে নিজেকে জাহির করতে মরিয়া।যারা বাস্তব ও সরকার অনুমোদিত সংগঠন নিয়ে কাজ করছে,তাদেরকে ভূঁইফোড় সংগঠনের নেতায় পরিণত করতে এই মহলটি মরিয়া,অবশেষে প্রতারকে পরিণত হচ্ছে।রিকশার ড্রাইভারেরও যোগ্যতা নেই,দাপট দেখাচ্ছে উড়োজাহাজ ড্রাইভার।স্থানীয় প্রশাসন ওদের বিরুদ্ধে কোনো দিন একশান নিতে দেখা যায়নি।উল্টো এমন চক্র দমন না করে,যারা সরকার অনুমোদিত সংগঠন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন,তাদেরকে বিভিন্ন মহলের ইঙ্গিতে হয়রানি করে যাচ্ছেন।কিছু দিন ধরে অনুভব করছি,ফেইসবুকে বিভিন্ন বিষয়ে কলামের ব্যাখ্যা সহ উপস্থাপন করে পোস্ট দেওয়ায়,শুভাকাঙ্ক্ষী গণ শত শত শেয়ার করে যাচ্ছেন,আর কপি চোরেরা নিয়মিত কপি করে যাচ্ছে।তা নিতান্তই লজ্জা জনক।গতকাল একজন কাছের মানুষের কাছ থেকে পাওয়া সংবাদ চাঁদপুরের বয়স্ক মহিলা নিয়ে একটি আবেগি প্রতিবেদন লিখেছিলাম,দেখলাম শুভাকাঙ্ক্ষী গণ অনেক শেয়ার করছেন এবং কপি চোরেরা লেখা এডিট করে ফেইসবুকে নিজেকে জাহির করতে মরিয়া।কিন্তু তাদের পোস্ট একটাও শেয়ার হয়নি।অন্যের কাছ থেকে সংবাদ সংগ্রহ করার কারণে লিখেছি কপিঃ যোগাযোগ মাধ্যমে সংগ্রহ।তার মধ্যে হৃদয়বিদারক কাহিনী হলো,আমি যে সংগঠনে নেতৃত্ব দিচ্ছি,তা সরকার অনুমোদিত।একটা মহল তা সহ্য করতে পারেনি।তাই গত ২০১৯ ইং সালে নবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগমের অফিসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি টাঙানোর কথা বলায় এবং দৈনিক সমকাল নবীগঞ্জ প্রতিনিধি এম এ আহমেদ আজাদ ফেইসবুক মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কে কটুক্তি করার প্রতিবাদ করায়,আমাকে অপমান ও মানহানি করেছিল,আদালতে মানহানীর মামলা দায়ের করেছিলাম।মামলার খবর পেয়ে আমাকে মেরে ফেলার জন্য বেপরোয়া হয়ে উঠেন।আমি নবীগঞ্জ থানা কে অবগত করতে আসলে,প্রতিপক্ষ আমাকে থানাতেই বসিয়ে অবৈধ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কারাগারে পাঠান এবং আমার সংগঠনের কার্ডগুলো নবীগঞ্জ থানা পুলিশ কে জানানো হয়,এসব ভূঁইফোড় সংগঠন।তাই নবীগঞ্জ থানা পুলিশ জব্দ করে রেখেছেন এবং থানা পুলিশ কে জিম্মি করে প্রতিবেদনে লেখানো হয়েছে,এসব কার্ড আমি নিজেই সৃজন করিয়াছি।অন্য দিকে বাংলাদেশ পিবিআই দীর্ঘ এক বছরের উর্ধ্বে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছেন আমার সংগঠনও ঠিক আছে এবং আমি হবিগঞ্জ জেলার একজন সভাপতি তাও ঠিক আছে।ইদানীং প্রশাসন থেকে আমার বিশ্বাস উঠে গেলে,বাংলাদেশ পিবিআই আমার বিশ্বাস ফিরিয়ে দিয়েছেন।এখন মহলটি বলে বেড়াচ্ছে সাংবাদিক মানবাধিকার কর্মী হতে পারে না।আরে মুর্খের দল,আমার মানবাধিকার সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি চ্যানেল কর্ণফুলীর চেয়ারম্যান।তাই এমন মানুষের সাথে তর্ক করে মূল্যবান সময় নষ্ট করতে চাই না।

সাংবাদিক ফরজুন আক্তার মনি যেসব দায়িত্বে তাও তুলে ধরা হলো

সভাপতি

ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন হবিগঞ্জ জেলা শাখা।

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি

বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ হবিগঞ্জ জেলা শাখা।

সম্পাদক ও প্রকাশক

দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ নিউজ টিভি. কম

সাধারন সম্পাদক

নবীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি

দৈনিক গণমুক্তি

স্টাফ রিপোর্টার

দৈনিক বিবিয়ানা

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর...
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

Theme Customized BY: Themes Seller