1. admin@dailyalokithbangladeshnewstv.com : admin :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদে সুবাতাস: জনসেবায় এগিয়ে এসে আলোচনায় বিশিষ্ট শিল্পপতি আশরাফ উদ্দিন নবীগঞ্জে দিনারপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নবীগঞ্জ উপজেলা সিএ মোহনের অনিয়মের পাহাড়, ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা নবীগঞ্জের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, আপোসের গুঞ্জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় নবীগঞ্জের সাংবাদিক মনি’র গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য আলসেমি, এম হাবীবুল্লাহ নবীগঞ্জে বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ: রক্তাক্ত হলেও করা হয়নি চিকিৎসা, ধামাচাপা দিতে মরিয়া প্রভাবশালীরা হলুদ সাংবাদিকতার কবলে জনজীবন, ফরজুন আক্তার মনি নীরবে সমাজ বদলের স্বপ্ন বুনছেন সিমি কিবরিয়া অনিয়ম ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে মেয়েকে বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ করে দিলেন প্রধান শিক্ষক ফারুক মাস্টার

নবীগঞ্জে কথিত সাংবাদিক আজাদ মুজিব ২হাজার করে মুচলেকায় জামিনে এসেও ভয়ভীতি প্রদর্শন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০২২
  • ৭৫১ বার পঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টার ঃ হবিগঞ্জে নবীগঞ্জের কথিত দুই সাংবাদিক বিভিন্ন মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামি নারী নির্যাতন মামলায় গতকাল ২ হাজার টাকা করে মুচলেকা দিয়ে জামিনে এসে মামলার বাদীনিকে মামলা তুলে আনার জন্য বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন সহ আনন্দ উল্লাসের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ মানহানি করে যাচ্ছে।

জানা যায়, গত ২০২০ সালে ৫ নং আউশকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুন করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কর্মমহীন অসহায় হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে বরাদ্দকৃত ত্রাণ বিতরণ করে যাচ্ছিলেন।সেই বরাদ্দকৃত কিছু সামগ্রী নবীগঞ্জের আজাদ মুজিব সহ কিছু সাংবাদিক চাঁদাবাজি করতে চাইলে চেয়ারম্যান অনাস্থা প্রকাশ করেন।সেই সুত্র কে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান এর মালিকানা প্রাইভেট হসপিটাল সাংবাদিকরা তাদের গ্রুপ নিয়ে ভাংচুর করা হলে গত ০৫/০৪/২০ ইং তারিখ হবিগঞ্জের কিছু সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহ করতে আসেন এবং
সম্পাদক ও প্রকাশক ফরজুন আক্তার মনিও যান।হসপিটালের বারান্দায় যাওয়া মাত্রই মধ্য যোগীয় কায়দায় সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত সহ শ্লীলতাহানি করে ক্যামেরা ও চেইন ছিনতাই করে নিয়ে যায় কথিত সাংবাদিক আজাদ ও মুজিব।ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে নবীগঞ্জ থানাপুলিশ উদ্ধার করে হসপিটাল যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেন।গত ০৬/০৪/২০ইং তারিখ সম্পাদক মনি বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন,যাহার নবীগঞ্জ নারী শিশু মামলা নং ১২/২০।আসামিরা স্থানীয় বিভিন্ন সেক্টরের প্রভাবশালী দের ছত্রছায়ায় থাকায়,নবীগঞ্জ থানাপুলিশ আসামি গ্রেফতার করতে পারেনি।পরে ১ জন আসামির নাম রেখে বাকী আসামি গুলোর নাম বাদ দিয়ে দ্রুত গতিতে আদালতে চার্জচীট দাখিল করেন।সম্পাদক মনি নারী শিশু নির্যাতন দমন আদালতে নারাজি দিয়ে পুনরায় তদন্তের আবেদন করেন।আদালত আবেদন মঞ্জুর করে বাংলাদেশ পিবিআই হবিগঞ্জ কে তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করেন।পিবিআই দেড় বছর তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।মহামান্য আদালত পিবিআই এর তদন্ত প্রতিবেদন আমল গ্রহণ করে কথিত সাংবাদিক আজাদ মুজিব সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।আসামি আজাদ, মুজিব ও সাকির জামিনের পিটিশন মহামান্য আদালতে দাখিল করে।আসামি সাকির আহমদ আদালত থেকে পালিয়ে আসে এবং আজাদ মুজিবের জামিন শুনানি হলে মহামান্য আদালত দুই হাজার টাকা করে মুচলেকা মাধ্যমে জামিন মঞ্জুর করেন।আসামি আজাদ ও মুজিব কাঠগড়ায় দীর্ঘ সময় থাকার পর দুই হাজার টাকা করে মুচলেকার জামিন নামা নারী শিশু নির্যাতন দমন আদালত -৩ দাখিল করার পর জামিনে বের হয়ে আসে।সম্পাদক মনি জানান আসামি আজাদ ও মুজিব দুই হাজার টাকা করে মুচলেকায় জামিনে এসেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন ভাবে আনন্দ উল্লাস মাধ্যমে রীতিমতো মানহানি করে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে।বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিতেছি এবং তাদের জামিনের পক্ষে হবিগঞ্জের সাংবাদিকরা এভিডেভিড দিয়েছিল,ততকালীন সময়ের হবিগঞ্জের পত্রিকার সংবাদ গুলো সংগ্রহ করে রেখেছি এবং নারী নির্যাতন মামলার আসামিদের জামিনের পক্ষে ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ এর হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট সুলতান মাহমুদ, নবীগঞ্জ উপজেলা আঃলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান কাজল সহ অনেক।গত ২০১৯ সালে নবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম ও কথিত সাংবাদিক আজাদ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে কটুক্তি করিলে আমি বাংলাদেশের সন্তান হিসেবে প্রতিবাদ করেছিলাম।সেই অপরাধে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম সহ আজাদ তার গ্রুপ নিয়ে আমার মা বাবা কে কটুক্তি করে আমাকে অসম্মান করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে এবং আমার ফেইসবুক আইডি হ্যাক করে।সাইবার থেকে লোকেশন আনার পরও তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার সুযোগ পাইনি।নিরুপায় হয়ে ১৭//৯/১৯ ইং তারিখ হবিগঞ্জ আদালতে একটি মানহানীর মামলা দায়ের করি,যাহার সিআর মামলা নং ৪৪২/১৯।মামলা দায়ের করার পরের দিন রাতে আমাকে মেরে ফেলার বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে, যাহা আমার মোবাইল কল রেকর্ড তল্লাশি করিলে পাওয়া যাবে।তাদের আক্রমণের ভয়ে বিষয়টি থানায় অবগত করার জন্য আসিলে, তাদের অবৈধ ক্ষমতা ব্যবহার করে থানায় বসিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কারাগারে যেতে হয়েছে।মামলায় ঘটনার যে তারিখ দেওয়া হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের জন্মই হয়নি এবং এই আইনের জন্মের পর যে তারিখ দিয়েছে এই তারিখ বঙ্গবন্ধু কে কটুক্তির প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম।এর পর থেকে দিনের পর দিন তাদের অত্যাচার বেড়েই চলেছে।দীর্ঘদিন ধরে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।তারা ও তাদের লোকের বিরুদ্ধে থানায় অসংখ্য জিডিও আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর...
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

Theme Customized BY: Themes Seller