বৈশাখী মেয়ে এলো ফরজুন আক্তার মনি বৈশাখী মেয়ে এলো আমাদের ধরাতে কপালের টিপ আর রংমাখা অঙ্গে। ধানকুলা হাতে আর বাজে ঢাক-ঢোলক আনন্দ-ফুর্তির মুখখানা হোলি নাকে নোলক। বৈশাখী মেয়ে এলো মেলা
হে কিংবদন্তি সাদি মোহাম্মদ ফরজুন আক্তার মনি হে কিংবদন্তি জনপ্রিয় সাদি মোহাম্মদ তুমি দেশ বরেণ্য রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী , তুমি রাষ্ট্র ও সমাজের সম্পদ, তোমায় আটকে রাখা ছিল মোদের দায়িত্ব।
নিজেকে ভালবাসা হয়নি ফরজুন আক্তার মনি নিজেকে আর ভালবাসতে পারিনি, বিভিন্ন বিষয়ে যত্নের হ্রাস ছিল বটে! কবিতার জঙ্গলে এখন নিত্য মোর বসবাস। শব্দ খোঁজে খোঁজে হেঁটে চলি এক বাসন্তী মনে।
বাক প্রতিবন্ধীর মুক্তি চাই ফরজুন আক্তার মনি “প্রবল উত্তাপে যতটুকু ঢালো অন্ধকারে তার চেয়েও নীল আমি অহরহ দংশনে”। ভাল নাহি বাসো তব পড়েছিল মহতী দৃষ্টি, হৃদয় গহীনে হল ভালোবাসা সৃষ্টি।
মিষ্টি মূহুর্তের স্মৃতি ফরজুন আক্তার মনি হে গুরু তুমি শুধুই প্রেম নও মোর রক্ত মাংস আত্মা হও, যাহা বিহীন প্রাণীজগৎ মৃত, সেই গহীন স্থানে মোর বসবাস। সূর্য ছাড়া পৃথিবী যেমন
মায়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ফরজুন আক্তার মনি অভাগা যেদিকে নিঃশ্বাস ফেলে সাগর-মহাসাগর শুকিয়ে যায় দেখে, মোর অযাচিত ভালোবাসায়, দেহ মন আক্রান্ত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়। যে ভালোবাসা সারাক্ষণ কাঁদায় মোরে, তার জন্য কারাগারে যেতে ভয়
আমৃত্যু কেঁদে যায় ফরজুন আক্তার মনি আমি কখনও কাঁদি না। অনুভূতিহীন দেয়ালের মতো চুপচাপ দাড়িয়ে থাকি। কথা বলি না,ব্যথা পাই না। আমার কোনো হাঁসি বা দুঃখ নেই। শিলার হৃষ্টে ফোটে
অভাগা সন্তানের প্রত্যাশা ফরজুন আক্তার মনি অনেক মা হিরে মুক্তা গোল্ডেন! প্রকৃতির লীলাখেলায় পুড়িলে “কপাল” বাচ্চা জন্মদিয়েও মাতৃত্বে অনুধাবনে বঞ্চিত, সন্তান পিপাসায় কাতর আজীবন। লীলাখেলার বাজারে সন্তান ছন্নছাড়া! বৈশাখের আনন্দে
কিছু দিন রেখো ফরজুন আক্তার মনি “হে মহামহিম, তুমি সর্বশক্তিমান” সামান্য “আলাকে”সৃষ্টি করেছো মোরে, কঠিন পরিস্থিতিতে “জীবন” নড়েচড়ে। অধর্য্য আত্মা চলে যাওয়ার পথে, “মধ্যরাতে ওয়াদাবদ্ধ এক স্মৃতি ডাকে” মোর “কবিতা,
কেমনে খুলি মুখ কবি – ফরজুন আক্তার মনি সৌন্দর্যের বাগানে লোভী চরিত্রহীন নর, যেখানে প্রতিবাদে ছাত্রলীগ নেতার দাঁত শহীদ সেখানে কবি কেমনে খুলি মুখ। বাঁচার আশায় নালিশখানায় হলাম বন্দী, আমিত্ব