1. admin@dailyalokithbangladeshnewstv.com : admin :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদে সুবাতাস: জনসেবায় এগিয়ে এসে আলোচনায় বিশিষ্ট শিল্পপতি আশরাফ উদ্দিন নবীগঞ্জে দিনারপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নবীগঞ্জ উপজেলা সিএ মোহনের অনিয়মের পাহাড়, ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা নবীগঞ্জের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা, আপোসের গুঞ্জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় নবীগঞ্জের সাংবাদিক মনি’র গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য আলসেমি, এম হাবীবুল্লাহ নবীগঞ্জে বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ: রক্তাক্ত হলেও করা হয়নি চিকিৎসা, ধামাচাপা দিতে মরিয়া প্রভাবশালীরা হলুদ সাংবাদিকতার কবলে জনজীবন, ফরজুন আক্তার মনি নীরবে সমাজ বদলের স্বপ্ন বুনছেন সিমি কিবরিয়া অনিয়ম ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে মেয়েকে বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ করে দিলেন প্রধান শিক্ষক ফারুক মাস্টার

নবীগঞ্জে ৪ মাসেও উদঘাটন হয়নি মিশুক চালক আবিদুর হত্যাকান্ডের রহস্য

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইমঃ শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৬৬৯ বার পঠিত

 

ষ্টাফ রিপোর্টার। নবীগঞ্জে নিখোঁজের তিন দিন পর মিশুক চালক আবিদুর ইসলামের (১৬) গলা কাটা লাশ উদ্ধার ঘটনার দায়েরী মামলাটি দীর্ঘ ৪ মাস পর তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে হবিগঞ্জের সিআইডি সংস্থা। বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশ হেড কোয়ার্টার থেকে এক আদেশে মামলাটি সিআইডি’র কাছে হস্তান্তর করেন নবীগঞ্জ থানা পুলিশ। হবিগঞ্জ সিআইডি ইন্সপেক্টর আব্দুল বাসেত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মৃত আবিদুর ইসলাম নবীগঞ্জ পৌর এলাকার কেলী কানাইপুর গ্রামের পাতা মিয়ার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩রা সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় এলাকাবাসী ওই গুজাখাইর শরিষপুর এলাকার মরা কুশিয়ারা নদীতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় তার মৃতদেহের পাশে থাকা শার্ট দেখে লাশটি মিশুক চালক আবিদুরের মর্মে তার পরিবার সনাক্ত করেন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের এসপি মুরাদ আলী, সার্কেল এসপি আবুল খয়ের, পিবিআই ওসি শরীফ মোঃ রেজাউল করিম, নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ডালিম আহমদসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিলেন। পরে মৃতদেহ ময়না তদন্ত শেষে দাফন সম্পন্ন করা হয়। জানা যায়, মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ শহর থেকে আবিদুর ইসলাম (১৬) মিশুক গাড়িসহ নিখোঁজ হন। সে উপজেলার গুজাখাইর গ্রাম থেকে নবীগঞ্জে ফিরে যাত্রী নিয়ে পৌর এলাকার পূর্ব তিমির পুরের দিকে রওয়ানা দেওয়ার পর থেকে আর ফিরে আসেনি। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানায় একটি জিডি করা হয়। নিহত আবিদুর নিখোঁজের প্রায় দু’ঘন্টা আগে বিকাল প্রায় পৌনে ৬ টার দিকে তার খালাতো বোন মাফিয়া বেগম, বোন জামাই আব্দুর রহিম এর সাথে তার মিশুক গাড়ী নিয়ে শহরের গোল্ডেন প্লাজায় যায়। সেখান থেকে মধ্য বাজার একটি হোটেলে নাস্তা শেষে মাছ বাজারে এসে খালাতো বোন জামাই’র সাথে মাছ ক্রয় করে নবীগঞ্জ-বানিয়াচং রোডস্থ খালাতো বোনের বাসায় আসে। পরে তাদের এখান থেকে তার গাড়ী নিয়ে বের হয়। আর ফিরে আসেনি। ওই দিন সারা দিন খালাতো বোন জামাই’র ওর্য়াকসপে তার মিশুক গাড়ী মেরামত কাজে ছিল বলে সুত্রে জানাগেছে। এদিকে নিখোঁজ আবিদুর ইসলামের মরদেহ উদ্ধারকালে দেখা যায়, তার শরীর বিবস্ত্র অবস্থায়. গলা কাটা, পুরুষাঙ্গ কাটা, দু’ পা কাটা ও হাতের আঙ্গুল কাটা। লাশের পাশ থেকে পুলিশ পড়নের শার্ট, পেন্ট, জুতা ও পকেটে থাকা ১৪৫ টাকা উদ্ধার করেছে। তবে উদ্ধারকৃত জুতা মৃত আবিদুরের কি না এনিয়ে সন্দেহ রয়েছে পরিবারের লোকজনের। ধারনা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা যাত্রী সেজে আবিদুর ইসলাম (১৬) কে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে উর্পযুপুরি আঘাত করে খুন করে সরিষপুর এলাকার মরা কুশিয়ারা নদীতে আব্দুল গনির বাড়ি সংলগ্ন স্থানে কচুরি পেনার নীচে তার লাশ গুম করে রাখা হয়। ৩রা সেপ্টেম্বর সকালে পথচারী লোকদের দুর্গন্ধ লাগলে খবরটি ভাইরাল হয়। এক পর্যায়ে পুলিশে খবর আসলে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ডালিম আহমদ এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছেন। পরে খবর পেয়ে সার্কেল এসপি আবুল খয়ের এবং হবিগঞ্জ থেকে পিবিআই এর ওসি শরীফ মোঃ রেজাউল করিম এর নেতৃত্বে একটি টিম ঘটনাস্থলে আসলে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত আবিদুর ইসলামের বাবা মুহিবুর রহমান পাতা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দূর্বৃত্তের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্তে রহস্য উদঘাটন এবং মিশুক গাড়ীটি উদ্ধার করতে পারেনি। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও খুনিদের গ্রেফতার নিশ্চিত করতে বাদী পুলিশ হেড কোয়ার্টারে যে কোন গোয়েন্দা সংস্থা দ্বারা তদন্তের জন্য আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশ হেড কোয়ার্টার ঘটনাটি আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় মামলাটি হবিগঞ্জ সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব অর্পন করেন। এদিকে এলাকাবাসী নিরীহ মিশুক চালক আবিদুর ইসলাম হত্যাকারীদের গ্রেফতার, মুল রহস্য উদঘাটনসহ মিশুক গাড়ীটি উদ্ধারের জোর দাবী জানিয়েছেন। মামলাটি সিআইডিতে যাওয়ার বিষয়টি নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. ডালিম আহমদ নিশ্চিত করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর...
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

Theme Customized BY: Themes Seller